বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা করা হলে কঠোর শাস্তি এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব সম্পন্ন করলে পুরস্কৃত করার হুঁশিয়ারি ও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রস্তুতি ও দক্ষতার ওপর যাত্রীদের জীবন ও নিরাপত্তার বিষয়টি নির্ভর করে। তাই দায়িত্বে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না।
মহড়াটিতে ব্যাংকক থেকে আসা ৯৮ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রুবাহী একটি উড়োজাহাজের ইঞ্জিন ত্রুটি ও পরবর্তী সময়ে অগ্নিকাণ্ডের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জরুরি উদ্ধারকাজের অনুশীলন করা হয়। বিমানবন্দরের ফায়ার সার্ভিস, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি), উদ্ধারকারী দল, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বিতভাবে দ্রুত আগুন নির্বাপণ ও যাত্রী উদ্ধারে অংশ নেয়।
সব সংস্থার এমন কার্যকর সমন্বয়ের প্রশংসা করে বিমান মন্ত্রী জানান, দেশের বিমানবন্দরগুলোতে শতভাগ নিরাপত্তা ও বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করতেই সরকার সার্বক্ষণিক নজরদারি ও অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।