মেট্রোরেল রুটের ২৭টি ত্রুটিপূর্ণ বেয়ারিং প্যাডকে ক্রিটিক্যাল হিসেবে এবং ৪৬টি পিয়ারে বিভিন্ন মাত্রায় ক্র্যাক বা ফাটল চিহ্নিত হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সেফটি অডিট কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে বলে তিনি জানান।
বুধবার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
শেখ রবিউল আলম বলেন, সেফটি অডিট কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেট্রোরেল রুটের (উত্তরা থেকে মতিঝিল) ৭৩০টি বেয়ারিং প্যাডের সকগুলোই ক্রিটিক্যাল নয়। বেয়ারিং প্যাডের ১৪৭টির ত্রুটি মাইনর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২৯৭টি প্যাডের ক্ষেত্রে ত্রুটি মূলত প্যাডের স্থাপন ওয়ার্কম্যানশিপ–সংক্রান্ত। ২৭টি ক্রুটিপূর্ণ বেয়ারিং প্যাডকে ক্রিটিক্যাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অডিট কমিটির প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৪৬টি পিয়ারে বিভিন্ন মাত্রায় ক্র্যাক বা ফাটল চিহ্নিত হয়েছে।
সেফটি অডিট কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি জানান, এর মধ্যে বেয়ারিং প্যাডের স্থানচ্যুতির মতো সমস্যা হতে পারে, এমন ১০টি ক্ষেত্রে স্টিল ব্র্যাকেট স্থাপন করা হয়েছে। ২৭টি বেয়ারিং প্যাডের ক্ষেত্রে সেটেলমেন্ট মার্কার বসানো হয়েছে। ২৭টি বেয়ারিং প্যাড আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিস্থাপন করার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ৪৬টি পিয়ারে বিভিন্ন মাত্রায় ক্র্যাক বা ফাটলের ঝুঁকি নিরূপণ ও মেরামতকৌশল নির্ধারণে বুয়েটকে স্ট্রাকচারাল কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে। স্থাপনার স্ট্রাকচারাল ক্র্যাক পরিমাপ ও পর্যবেক্ষণের জন্য ১০২টি স্থানে ‘স্ট্রাকচারাল ক্র্যাক গেজ’ বসানো হচ্ছে।