Monday October 23, 2017
ইউরোপ ও যুক্তরাজ্য
10 October 2017, Tuesday
প্রিন্ট করুন
সুইডেনে জাতীয়তাবাদী ফোরামের আলোচনা সভায় বক্তারা
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই
জাস্ট নিউজ -
সুইডেন, ১০ অক্টোবর (জাস্ট নিউজ) : রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা ও সমাধানে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ও অং সান সু চি পরিককল্পিতভাবে এ হত্যা চালিয়েছে। এটা একটা গণহত্যা বা জেনেসাইড। জাতিসংঘসহ সকলকে নিয়ে মিয়ানমার সরকারের ওপর যথাযথ কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে রোহিঙ্গাদের নিজ নিজ আবাসস্থলে পূর্ণ নাগরিক মর্যাদা সহ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
 
গত ৮ অক্টোবর বিকালে সুইডেনের রাজধানী স্টোকহোমের সলনা মল অফ স্কান্ডেনেভিয়া রেস্ট্রুরেন্ট গার্ডেনে সুইডেন জাতীয়তাবাদী ফোরামের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট ও বার্মায় জাতিগত নিধনযজ্ঞের বিরুদ্ধে বিশ্ব জনমত গঠনে আমাদের করনীয় ও সুইডেনে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
 
সুইডেন জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি রেজাউল করিম শিশিরের সভাপতিত্বে ও বিএনপি নেতা তারেক মাহমুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুইডেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব ড. তারেক মাহফুজ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সুইডেন বিএনপির সহসভাপতি আবুল হাসান খান বাবু, সদস্য মাসুদুল হক আফতাব, মহিউদ্দিন আহমেদ বাদল, যুগ্ম-সম্পাদক আক্তারুজ্জামান শিকদার ফনু, মেহবুব হাসান শাহীন, মোহাম্মদ নাসিম, আরশাদ খান টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ ইমরান ইমী, সদস্য আতিক উল্লাহ এমরান, মোস্তফা হাসান স্বপন, মাসুদুল হক হিমু, সাংবাদিক আব্দুস সালাম, আমিন বিল্লাল, আবিদ খান, নিক্সন জমাদার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সরকারের নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণে আজ দেশে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সভায় রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে বর্তমান অবৈধ আওয়ামী সরকারের সার্বিক ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরা হয় এবং এই বিষয়ে সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির জন্য গভীর ক্ষোভ ও নিন্দা জ্ঞাপন করা হয়। বক্তারা বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যর বিকল্প নেই। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের জন্য অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘে সেইফ জোন প্রস্তাবটির সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, এটিকে ষড়যন্ত্রমূলক প্রস্তাব। তাদের নিজ দেশে কেন সেইফ জোন করতে হবে। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক। শত শত বছর ধরে তারা সেখানে বসবাস করে আসছে।

বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়া ১৯৭৮ সালে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের সফল কূটনীতির মাধ্যমে ফিরিয়ে ছিলেন। তারপর ১৯৯২ সালে খালেদা জিয়া একই প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করে ‘রিপার্টিশনে এগ্রিরিমেন্ট’ মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সাথে নিতে স্থায়ী সমাধান করতে হবে যাতে রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী নিরাপদে তাদের আবাসস্থলে বসবাস করতে পারে। বক্তারা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে নিরাপদে পুনর্বাসনে সুইডেন প্রবাসিদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

(জাস্ট নিউজ/প্রতিনিধি/একে/১৮৪২ঘ.)

মতামত দিন
ইউরোপ ও যুক্তরাজ্য :: আরও খবর
প্রচ্ছদ
ছবি গ্যালারী
যোগাযোগ