Tuesday July 25, 2017
কর্পোরেট খবর
01 November 2016, Tuesday
প্রিন্ট করুন
সিটিসেলের আপিলের আদেশ বৃহস্পতিবার
জাস্ট নিউজ -
ঢাকা, ১ নভেম্বর (জাস্ট নিউজ) : বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো মোবাইল অপারেটর সিটিসেলের তরঙ্গ বরাদ্দ বন্ধে সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশ বৃহস্পতিবার।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আদেশের জন্য এ দিন ঠিক করেন।আদালতে সিটিসেলের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ।

গত ২৫ অক্টোবর সিটিসেল বন্ধে সরকারের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

বকেয়া টাকা পরিশোধ করা হয়নি এই অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার সিটিসেলের কার্যক্রম (তরঙ্গ) স্থগিত করে দেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।বিটিআরসির এ সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে সোমবার আবেদন করে সিটিসেল।

বিটিআরসি দাবি করেছে, সিটিসেলের কাছে সরকারের পাওনা রয়েছে ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। যদিও এই পাওনা নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য রয়েছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে আপিল বিভাগ ছয় সপ্তাহের মধ্যে পাওনা টাকার তিন ভাগের দুই ভাগ এবং অবশিষ্ট টাকা দুই মাসের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য সিটিসেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সিটিসেল তাদের হিসাব অনুযায়ী বকেয়া টাকার মধ্যে ১৩০ কোটি বিটিআরসিকে এবং ১৪ কোটি টাকা এনবিআরের খাতে জমা করে।

কিন্তু বিটিআরসি দাবি করে প্রথম কিস্তির টাকার অংক ৩১৮ কোটি টাকা। টাকার অংক নিয়ে দুই পক্ষের এই মতবিরোধের মধ্যে সিটিসেলের তরঙ্গ বরাদ্দ স্থগিত করে দেয় বিটিআরসি। এ পরিস্থিতিতে তরঙ্গ বরাদ্দ ফিরে পেতে সিটিসেল আপিল বিভাগে এই আবেদন করে।

সিটিসেলের আইনজীবী মাহবুব শফিক বলেন, আদালত যে কিস্তি নির্ধারণ করে দেন তা দুই পক্ষের সম্মতিক্রমে টাকার অংক নির্দিষ্ট করার নির্দেশনা ছিল। বিটিআরসি সিটিসেলকে ১০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা বরাদ্দ দেয় ৮ দশমিক ৮২ মেগাহার্টজ। এই হিসাবে বিটিআরসির কিস্তি পাওনা হবে ১৪৪ কোটি টাকা। সে টাকা সিটিসেল জমা দিলেও বিটিআরসি তরঙ্গ বরাদ্দ স্থগিত করে দেয়।

 (জাস্ট নিউজ/ওটি/১৪৫৫ঘ.)
সম্পর্কিত আরও খবর
মতামত দিন
কর্পোরেট খবর :: আরও খবর
প্রচ্ছদ
ছবি গ্যালারী
যোগাযোগ